পারিবারিক বিবাদের জেরে বচসা আর একে কেন্দ্র করে গ্রামে বসনো হয় সালিশি সভা। সালিশী সভায় গ্রামের এক যুবককে মিথ্যে মামলায় ফাসানোর জন্য চাপ। আর তা করতে অস্বীকার করায় এই সালিসভার পর গৃহবধূকে গলায় ফাঁস দিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্থানীয় মোড়ল মাতব্বরদের বিরুদ্ধে। গৃহবধূর পাঁচ বছরের ছেলের তৎপরতায় প্রানে বাঁচেন ওই গৃহবধূ। ঘটনার তদন্তে মালদা মহিলা থানার পুলিশ। দুই অভিযুক্তর বিরুদ্ধে প্রান নাশের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার ইংরেজবাজারের ফুলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নঘরিয়া গ্রামে।
ওই গৃহবধূ জানান বেশ কয়েকদিন তার স্বামী সুনীল ঘোষ ও শ্বাশুড়ি চিনু ঘোষের সাথে তার বচসা চলছিলো। তার স্বামী সুনীল ঘোষ বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলে। সেই টাকা নিয়ে আসতে অস্বীকার করায় তার স্বামীর সাথে বচসা শুরু হয়। আর এই নিয়ে গ্রামে বসনো হয় সালিশি সভা। এই সালিশি সভার পরেই গ্রামের দুই মাতব্বর বিপ্লব দাস ও সমির ঘোষ তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে খুনের চেষ্টা করার পাশাপাশি ব্যাপক মারধর করে বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগে ওই গৃহবধূ মালদা মহিলা থানার দ্বারস্থ হন। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছে।
এবিষয়ে ওই গৃহবধূর ছোট্ট ছেলে জানায়, হটাৎ করে মায়ের চিৎকারে তার ঘুম ভেঙে যায়। এরপর ছুটে বাইরে এলে সকলে পালিয়ে যায়।
তবে আইনজীবী সন্টু মিঞা জানান, এই ঘটনায় আমরা মহিলা থানার দারস্থ হয়েছি। যদি পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেয় তবে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব। তবে সুপ্রিম কোর্টের গাইড লাইন অনুযায়ী কোন সালিশি সভায় বিচার করা ও কাউকে মারধোর করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/gXAYc3tIBhA